বিমানবন্দর সড়কে তাবলিগ জামাতের ব্যাপক বিক্ষোভ

Alam

১০ জানুয়ারি ২০১৮,বুধবার, ২১:১৩

বিমানবন্দর সড়কে তাবলিগ জামাতের ব্যাপক বিক্ষোভ

বিমানবন্দর সড়কে তাবলিগ জামাতের ব্যাপক বিক্ষোভ

মাওলানা সা’দকে ঠেকাতে নতুন কর্মসূচি দেয়া হয়েছে।

ভারতের দিল্লির নিজামুদ্দিনে তাবলিগ জামাতের মুরব্বি মাওলানা সা’দ কান্ধলভির টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় আগমন ঠেকাতে আজ বুধবার দিনভর রাজধানীর বিমান বন্দর মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ করেছে তাবলিগ জামাতের একাংশ ও কওমি আলেমরা। এর মধ্যেই আজ বেলা সাড়ে ১২টার দিকে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে করে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন মাওলানা সা’দ কান্ধলভী। পরে পুলিশি নিরাপত্তায় তাকে কাকরাইলের মারকাজ মসজিদে নিয়ে যাওয়া হয়। তাবলিগের এ বিক্ষোভের কারণে আজ উত্তরাসহ আশেপাশের সড়কগুলোতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।

মাওলানা সা’দ আসছেন এমন খবরে আজ সকাল থেকেই বিমান বন্দর এলাকায় অবস্থান নেয় তাবলিগ জামায়াতের একটি অংশ ও কয়েক হাজার কওমি আলেম-ছাত্ররা। তারা ব্যানার নিয়ে বিমান বন্দর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ করে। এ সময় ওই সড়কে যান চলাচল সীমিত হয়ে যায়।

এর মধ্যে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন মাওলানা সা’দ কান্ধলভী। কিন্তু তিনি যাতে বের হতে না পারেন সেজন্য তাবলিগের হাজার হাজার সাথী ও কওমি আলেম-ছাত্ররা পুরো বিমানবন্দর এলাকা অবরোধ করে রাখে।

তাবলিগকর্মী রুমি জানান, বিমানবন্দর থেকে ইজতেমা মাঠে যাওয়ার সব রাস্তায় প্রতিবাদ করছেন তাবলিগ কর্মীরা। এ কারণে বিমানবন্দরে এলেও তিনি দীর্ঘ সময় আটকে থাকেন। পরে আড়াইটার দিকে বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে পুলিশি পাহারায় তাকে কাকরাইলের দিকে নিয়ে যায়া হয়। বিকেল সাড়ে ৩টায় তিনি কাকরাইল মারকাজ মসজিদে এসে পৌঁছান।

তিনি আসার আগে থেকেই মসজিদের বাইরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। রমনা থানা পুলিশের পাশাপাশি কাকরাইল মসজিদের মূল ফটকের বাইরে অবস্থান নেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চের (ডিবি) সদস্যরা। এছাড়া মসজিদ সংলগ্ন এলাকায়ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

জানা যায়, মসজিদের মূল ফটক দিয়ে সব মুসল্লি প্রবেশ করতে পারছেন না। শুধু ভেতরে অবস্থানরত মুসল্লিরা কাউকে পরিচিত মনে করলে তাকে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে অনেকেই মসজিদে যেতে পারেননি।
আজ বিকেলে অন্তত অর্ধশত মুসল্লিকে মসজিদের বাইরে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

কয়েকজন জানান, আসরের নামাজের আগ থেকে মূল ফটক বন্ধ রাখা হয়েছে। ভেতরে পরিচিত ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।

কঠোর নিরাপত্তা প্রসঙ্গে রমনা থানা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, মাওলানা সা’দের বাংলাদেশে আসা ও ইজতেমায় অংশগ্রহণকে ঘিরে তাবলিগ জামাতের একটি অংশ ও কওমিপন্থীরা প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঠেকাতে এ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

যাত্রাবাড়িতে বিক্ষোভ
ইজতেমায় মাওলানা সা’দ কান্ধলভীর আসাকে কেন্দ্র করে যাত্রাবাড়ীতে কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সামনে সকালে বিক্ষোভ করেন আলেমরা।

পরে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বেফাকের সিনিয়র সহসভাপতি ও তাবলিগের শুরার উপদেষ্টা আল্লাম আশরাফ আলী বলেন, সরকার গঠিত ওলামায়ে কেরাম ও তাবলিগের মুরুব্বীদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে মাওলানা সা’দের বিশ্ব ইজতেমোয় আসার ষড়যন্ত্র রুখে দেয়া হবে। মাওলানা সা’দ যদি চলেও আসেন তাহলে বিমানবন্দর থেকে ফিরে যেতে হবে। অন্যথায় ওলামায়ে কেরাম যেকোনো পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।

বেফাকের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, মাওলানা সা’দ দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আকাবিরে আসলাফের মানহাজের বিপরীতে বিভিন্ন বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে আসছেন। এমনকি তিনি কুরআন হাদিসেরও অপব্যাখ্যা করছেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা গত বছর চেষ্টা করেছিলাম তিনি যেন ইজতেমায় না আসেন। এ বছরও সরকারের তত্ত্বাবধানে একটি কমিটি গঠন হয়। কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য এবং সভাপতি মাহমুদুল হাসান মাওলানা সা’দের ইজতেমায় না আসার মতামত দেন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কছে সেই মতামত হস্তান্তর করেন। এরপরেও মাওলানা সা’দ কিভাবে বাংলাদেশে আসেন আমরা তা জনি না।

বেফাকের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মাহফুজল হক বলেন, আমরা দেওবন্দ সফর করেছি, নিজামুদ্দিন সফর করেছি তারপর শুরা কমিটির কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এর পর শুরা কমিটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তা হস্তান্তর করেছেন। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওলামায়ে কেরামকে আশ্বস্ত করেছিলেন ওলামায়ে কেরামের সিদ্ধান্তের বাইরে কিছুই করা হবে না। কিন্তু এখন কার ইশারায়, কার সহযোগিতায় মাওলানা সা’দ বাংলাদেশে আসছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, হাটহাজারী মাদরাসার মুফতি কেফায়েতুল্লাহ, বাইতুন মাদরাসার মুহতামিম মুনিরুল ইসলাম, বেফাকের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা আবু ইউসুফ, মুফতি ফয়জুল্লাহ, কাকরাইল সহ যাত্রাবাড়ি মারকায়ের মুরুব্বীগণ।

কাকরাইলে বিক্ষোভ
‘সা’দ সাহেবের আগমন মানি না, মানবো না’ এমন স্লোগান দিয়ে প্রায় ১০০ শিক্ষার্থী ঢাকার গেণ্ডারিয়ার ফরিদাবাদ মাদরাসা থেকে ট্রাকে চড়ে সন্ধ্যায় কাকরাইল মসজিদের সামনে এসে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। এরপর ট্রাকে চড়েই কিছুদূর এগিয়ে হোটেল শেরাটনের দিকে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের উল্টো পাশে এসে নামেন ওই মাদরাসা শিক্ষার্থীরা। কিন্তু এখানে তারা মাত্র কয়েক মিনিট অবস্থান করতে পারেন। এরপর পুলিশ এসে রাস্তা থেকে তাদের সরিয়ে দেয়।

এ প্রসঙ্গে ডিএমপি রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সর্দার বলেন, যানচলাচলে যেন বিঘ্ন না ঘটে সেজন্য মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

নতুন কর্মসূচি
আছরের নামাজের মধ্য দিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মসূচি শেষ ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে জামিয়া ইমদাদিয়া ফরিদাবাদ মাদরাসার মুহাতামিম ও তাবলিগের উপদেষ্টা সদস্য মাওলানা আবদুল কদ্দুস বলেন, বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর পর্যন্ত পুরো মাদরাসার ছাত্র তাবলিগ জামাতের সাধারণ মুসুল্লিরা পাহারায় থাকবেন যেন সা’দ সাহেব ইজতেমার ময়দানে না যেতে পারেন।

তিনি বলেন, বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর পর্যন্ত সীমানার জন্যে আমির নির্ধারণ করা হয়েছে টঙ্গী দারুল উলুম মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মাসউদুল করীমকে। মহাখালী থেকে কাকরাইল পর্যন্ত সব মাদরাসার ছাত্র ও তৌহিদি জনতাকে কাকরাইল অবস্থানের কথা বলা হয়েছে যার নেতৃত্ব দিবেন মাওলানা মাহফুজুল হক। উত্তরার বিক্ষোভে উলামায়ে কেরামের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তাবলিগের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, জামিয়া নূরিয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা মাসউদুল করিম, জামিয়া রাহমানিয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহফুজুল হক, বাবুস সালামের মুহতামিম মাওলানা আনিসুর রহমান, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক শরীফ মুহাম্মদসহ অসংখ্য আলেম।

যানজট
মাওলানা সা’দ দেশে প্রবেশ করায় বিকেলে বিক্ষোভকারীরা বিমানবন্দর এলাকার পুরো সড়কজুড়ে অবস্থান নিলে ব্যস্ততম এ সড়কে যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। নতুন বাজার থেকে কুড়িল বিশ্বরোড হয়ে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়। সড়কে উভয়পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েন হাজার হাজার যাত্রী। এর মধ্যে বিমানের যাত্রীও রয়েছেন অনেকে। যানবাহন না পেয়ে অনেকে হেঁটেই গন্তব্যে যাত্রা শুরু করেন। বিমানবন্দর সড়ক বন্ধ থাকায় গুলশান-১ নম্বরের লিংক রোড থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত সড়কের বাম লেনে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। অন্যদিকে, বিপরীত পাশে যানবাহন আসতে না পারায় সড়ক ফাঁকা দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় কয়েক হাজার যাত্রী লাগেজ ও ব্যাগ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু কোনো যাত্রীবাহী বাসের দেখা নেই। এমনকি সিএনজিচালিত অটোরিকশা বা প্রাইভেটকারও চলতে দেখা যায়নি। যানবাহন না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাধারণ যাত্রীরা।

বিকেলে নতুন বাজার এলাকায় যানজটে আটকা পড়া তুরাগ পরিবহনের চালক ইলিয়াস হোসেন বলেন, সকাল থেকে থেমে থেমে গাড়ি চালাতে পেরেছি। কিন্তু দুপুরের পর থেকে যানজট আর ছাড়ছে না। শুনেছি, বিমানবন্দর এলাকায় রাস্তা বন্ধ করে তাবলিগের হুজুররা বিক্ষোভ করছেন।

যানজটের দৃশ্য দেখা গেছে কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, মহাখালী, বনানী, খিলক্ষেত, কুড়িল সড়কেও।

সুপ্রভাত পরিবহনের কয়েকজন যাত্রী জানান, প্রায় একঘণ্টা ধরে তারা বাসে বসে ছিলেন। গাড়ি নড়ছে না। ফলে বাধ্য হয়েই তারা হেঁটে যাত্রা শুরু করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উত্তরা, জসিম উদ্দিন, রাজলক্ষ্মী, হাউস বিল্ডিং, আব্দুল্লাহপুরসহ পুরো এলাকায় যানজট ছড়িয়ে পড়ে। সময় গড়ানোর সাথে সাথে যানজট ছড়িয়ে পড়ে আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

জানা গেছে, দিল্লির নিজামুদ্দিনের ‘বিতর্কিত’ মুরব্বি মাওলানা মুহাম্মদ সা’দের আসন্ন বিশ্ব ইজতেমায় আসার বিরোধিতা করছেন তাবলিগ জামাতের একাংশ ও কওমি আলেমরা।

তারা বলছেন, দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে সা’দের ‘বিতর্কিত’ বক্তব্যের কারণে তার সাথে কাজ করতে নিষেধ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আহমদ শফীসহ বাংলাদেশের সিনিয়র আলেমরাও চান, বিশ্ব ইজতেমায় সংঘর্ষ এড়াতে সা’দ ও তার অনুসারী বা বিরোধীরাও যেন ইজতেমায় অংশ না নেন। যদিও তাবলিগের শুরা সদস্য সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম, মোহাম্মদ খান শাহাবুদ্দীন নাসিম, অধ্যাপক ইউনূস শিকদার, মাওলানা মোশাররফ হোসাইন সা’দের ঢাকা সফরের পক্ষে রয়েছেন।

ভারতের দিল্লির নিজামুদ্দিনে তাবলিগ জামাতের মুরব্বি মাওলানা সা’দ কান্ধলভির বিভিন্ন বক্তব্যকে ইসলাম বিরোধী উল্লেখ করে দীর্ঘদিন থেকেই বিভক্ত হয়ে পড়েছে তাবলিগ জামাত। বাংলাদেশের কাকরাইল মারকাজ মসজিদের তাবলিগের মুরব্বিদের মধ্যেও দু’টি গ্রুপ হয়ে গেছে। যাদের একটি অংশ প্রকৌশলী ওয়াসিফুল ইসলামের নেতৃত্বে মাওলানা সা’দের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

অপরদিকে মাওলানা যোবায়ের আহমেদের নেতৃত্বে তাবলিগের আরেকটি অংশ তার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দিল্লীর দেওবন্দের অনুসারী দেশের কওমি আলেমরাও মাওলানা সা’দের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে মাওলানা যোবায়ের আহমদের পক্ষকে সমর্থন দিচ্ছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাওলানা সা’দের শুক্রবার টঙ্গীতে শুরু হতে যাওয়া বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নেয়া ঠেকাতে বেশ কিছুদিন থেকে প্রচেষ্টা শুরু করে মাওলানা যোবায়ের আহমদের নেতৃত্বাধীন তাবলিগের একাংশ ও কওমি আলেমরা। এ নিয়ে তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথেও দফায় দফায় মিটিং করেন।

মাওলানা সা’দ ইজতেমায় অংশ নেবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তার পক্ষের শুরা সদস্য সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আলেমদের সাথে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তার বিষয়ে আলেমদের যে বক্তব্য তা আমরা শুনবো, এরপর দেখা যাবে তিনি ইজতেমায় অংশগ্রহণ করেন কি না।

তবে সা’দবিরোধী হিসেবে পরিচিত তাবলীগের কর্মী প্রকৌশলী মাহফুজুল হান্নান বলেন, মাওলানা সা’দকে ইজতেমায় না অংশগ্রহণের শর্তে কাকরাইল মসজিদে আনা হয়েছে। তাকে এখানেই রাখা হবে।

এ প্রসঙ্গে তাবলিগ কর্মী শাহরিয়ার মাহমুদ বলেন, গত ৭ জানুয়ারি যাত্রাবাড়িতে জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী মাদরাসায় তাবলিগের শুরা উপদেষ্টা, শুরা সদস্য ও ভারতে সফরকারী প্রতিনিধি দলসহ ২১ জনের উপস্থিতিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সবাই সা’দের বিপক্ষে মত দিয়েছেন। এরপরও মাওলানা সা’দ বাংলাদেশে আসায় তাবলিগের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে।

 

 


প্রতিদিনের খবরগুলো ফেসবুকে পেতে নিচের লাইক অপশনে ক্লিক করুন-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Logo

সম্পাদক: পল্লব মুনতাকা। জ্যাকম্যান, মেডওয়ে, ইউএসএ
ইমেইল: mail.newsevent24@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | newsevent24 2018