রাঙামাটিজুড়ে হাহাকার, টাকা দিয়েও মিলছে না খাবার

নিউজ ইভেন্ট ২৪ ডটকম/আর

১৭ জুন ২০১৭,শনিবার, ০৩:৩৯

পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত রাঙামাটিজুড়ে হাহাকার চলছে। খাবার নেই, পানি নেই, আলো জ্বালানোর ব্যবস্থাও নেই।

শুরুতে দু-এক দিন স্থানীয় দোকানে চড়া দামে তবু কিছু জিনিস মিলেছে, এখন তা-ও নেই। ফলে যাদের হাতে টাকা নেই তারাও যেমন সংকটে আছে, যাদের কাছে টাকা আছে তারাও তেমনি অসহায় অবস্থায় দিন পার করছে। দুর্গত লোকজন যে অন্য কোনো জায়গা থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করবে, তারও উপায় নেই। কারণ ধসের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। অনেক জায়গায় সড়কের ওপর ধসের মাটি পড়ে আছে। কোথাও বা সড়কই ধসে গেছে। স্থানীয় লোকজন বলছে, দু-তিন দিনের মধ্যে ব্যবস্থা করতে না পারলে দুর্ভিক্ষ শুরু হয়ে যেতে পারে।


সরকারি পর্যায়ে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সদস্যরা সড়কে ধসে পড়া মাটি সরিয়ে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সচলের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আর ব্যক্তি উদ্যোগে বিভিন্ন স্থান থেকে স্বজনদের জন্য খাবার ও জ্বালানি উপকরণ নিয়ে রাঙামাটি যাচ্ছে বহু মানুষ। বেঁচে থাকার তাগিদে জান হাতে নিয়ে রাঙামাটি ছেড়ে চট্টগ্রাম যাচ্ছে শত শত মানুষ। গতকাল শুক্রবার দুপুরে রাঙামাটির ঘাগড়া ও সাপছড়ি এলাকায় সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, রাঙামাটিমুখী শত শত মানুষের হাতে পুঁটলি, ব্যাগভর্তি খাবার ও জ্বালানি তেল। কারো কাঁধে, কারো হাতে, কারো মাথায় ব্যাগ। সব ব্যাগেই খাবার, বোতলভর্তি জ্বালানি তেল। সেগুলো নিয়ে আট-দশ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ মাড়িয়ে স্বজনদের জীবন বাঁচানোর নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। চোখে-মুখে তাদের দুর্গত স্বজনের জন্য উদ্বেগ। তাই হাতে-কাঁধে বোঝা নিয়ে পাহাড়ি পথে হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্তিতে শরীর নুয়ে পড়লেও থামছে না তারা। পাহাড়ধসে চলাচলের পথেও অবস্থা খুব খারাপ। বিভিন্ন স্থানে এখনো ধসের মাটি সড়কের ওপর পড়ে আছে। কোথাও কোথাও সড়কও ধসে গেছে। সাপছড়ি এলাকাতেই এক জায়গায় অন্তত দেড় শ ফুট পাকা সড়ক সম্পূূর্ণ ধসে গেছে।

গত সোমবার গভীর রাতে ও মঙ্গলবার সকালের মধ্যে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাড়াছড়িতে পাহাড়ধসে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রাঙামাটিতে চার সেনাসদস্যসহ ১১০ জন এবং চট্টগ্রামে ৩৫ জন মারা গেছে।

সেদিন ভারি বর্ষণে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রানীরহাট থেকে রাঙামাটি পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার সড়কের ৩৫টি স্থানে ধসের ঘটনা ঘটে। এ কারণে রাঙামাটির সঙ্গে চট্টগ্রামের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাঙামাটিতে খাবারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের মাধ্যমও বন্ধ হয়ে যায়। মানুষের ঘরে খাবার নেই, পানি নেই, এমনকি আলোর ব্যবস্থাও নেই। বিদ্যুৎ সংযোগ ঠিক হয়নি। প্রদীপে তেল নেই, আলো জ্বালানোর জন্য দিয়াশলাই পর্যন্ত নেই।

সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন সড়ক থেকে মাটি সরিয়ে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়ক সচল করার কাজ করছে। সঙ্গে আছে সড়ক ও জনপথ বিভাগও। গতকাল সরেজমিন পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনীর ১৯ ইসিবির উপ-অধিনায়ক মেজর মো. শাহরিয়ার ইফতেখার পিএসসি  বলেন, ‘চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কের রানীরহাট থেকে রাঙামাটি পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার সড়কের ৩৫টি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বড় ধরনের পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে তিন স্থানে। এই তিন ধসের স্থান থেকে মাটি সরিয়ে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। এখন (গতকাল সন্ধ্যায়) আমরা সাপছড়ি এলাকায় আছি। এখানে অন্তত ১৫০ ফুট পাকা সড়ক সম্পূূর্ণ ধসে গেছে। এই সড়কে মাটি সরানোর কিছু নেই। ওই ১৫০ ফুট সড়ক পুনর্নির্মাণ করতে হবে। ’

রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়ক যোগাযোগ কবে নাগাদ চালু হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে শাহরিয়ার ইফতেখার আরো বলেন, ‘যেহেতু সাপছড়ি পর্যন্ত সড়ক চালু হয়েছে, এখান থেকে রাঙামাটি বড়জোড় আট কিলোমিটার, সেখানে যে কয়েকটি ধসের ঘটনা ঘটেছে সেগুলোর মাটি কয়েক ঘণ্টায় সরিয়ে নেওয়া সম্ভব। সব মিলিয়ে সাপছড়ি পর্যন্ত গাড়িতে পৌঁছানো যাবে, তারপর ১৫০ ফুট ভাঙা সড়ক আপাতত হেঁটে পার হয়ে ওপ্রান্ত থেকে রাঙামাটি পর্যন্ত ছোট যানবাহনে পৌঁছানো যাবে। আর বড় যানবাহন চলাচলের জন্য আরো দুই দিন সময় লাগতে পারে। কারণ ১৫০ ফুট সড়ক পুনর্নির্মাণ করতে হবে। ’

রাঙামাটির মানুষের জীবন বাঁচাতে যে রসদ প্রয়োজন তা কিভাবে পৌঁছানো সম্ভব হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘ছোট যানবাহনে ভোগ্যপণ্য পৌঁছানো সম্ভব হবে। ভারী ট্রাক যেতে হয়তো আরো দুই দিন সময় লাগতে পারে। ’

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আবু মুছা  বলেন, ‘বড় ধরনের ধসের স্থান থেকে মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখন সাপছড়ির ১৫০ ফুট সড়ক আছে, সেই সড়ক সম্পূর্ণ ধসে গেছে। এই অংশ নতুন করে সড়ক নির্মাণ করতে হবে। এখন বৃষ্টিতে মাটি সরানো কঠিন হচ্ছে। গত রাতে যে স্থান থেকে মাটি সরিয়েছি, ভোরে সেখানে নতুন করে ধসের ঘটনায় সড়কে পুনরায় মাটি পড়েছে। বড় গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রে আরো কিছু সময় লাগতে পারে, তবে ছোট যানবাহন চলাচল করতে পারে, এমন ব্যবস্থা দ্রুতই হবে। ’

রাঙামাটির সড়কে পথ চলতে চলতে দেখা গেল, রানীরহাটের পর থেকে সড়ক এবড়োখেবড়ো হয়ে পড়েছে। কোথাও কম, কোথাও বেশি মাটির স্তূপ। ধসের স্থানের দুই পাশে মাটি দেখে সহজে বোঝা যায়, এখানে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়েছিল, পরে মাটি সরিয়ে যানবাহন চলাচল সচল করা হয়েছে।

গতকাল দুপুরে সাপছড়িতে পাহাড়ধসে সড়কে পড়া মাটি সরানোর কাজ তদারকি করছিল সেনাবাহিনী এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগ। সেখানে এক্সেভেটর ও বুলডোজার দিয়ে মাটি সরানোর কাজ চলছিল। এ সময় মাটি ধসেপড়া স্থানের উভয় পাশে বেশ কিছু মানুষের জটলা দেখা যায়। জানা গেল, মাটি সরানোর কাজের গতি শ্লথ করে কিছুক্ষণ পর পর দুই প্রান্তের মানুষকে পারাপারের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

এ সময় রাঙামাটিমুখী স্বপন দিলীপ চাকমা বলেন, ‘আমি চট্টগ্রাম নগরে থাকি, মেয়ে থাকে রাঙামাটি। ধসের ঘটনার চার দিন পর মেয়ের বাড়িতে আর খাবারের কিছু নেই। এখন মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে যাচ্ছি। ’

পাশে দাঁড়ানো তরুণ সুমন জানান, তাঁর বোন রাঙামাটির মেডিক্যাল কলেজে পড়ে। রাঙামাটিতে এখন বসত করার উপায় নেই। সেখানে খাবার ও পানিসহ জীবন বাঁচানোর অতি প্রয়োজনীয় উপকরণের মারাত্মক সংকট চলছে। তাই বোনকে ফিরিয়ে আনতে যাচ্ছি। ’

চট্টগ্রামের বাসিন্দা নূরুল আলমের হাতে দেখা গেল একটি পুঁটলি। প্রশ্ন করতেই বললেন, ‘আমার মেয়ে ও নাতিরা রাঙামাটি আছে। সেখানে খাবার পাওয়া যাচ্ছে না। তাই কিছু মাছ-সবজি রান্না করে এবং কিছু কাঁচা সবজি নিয়ে যাচ্ছি। প্রায় আট কিলোমিটার হেঁটে রাঙামাটি পৌঁছতে হবে। বিকল্প কোনো উপায়ও নেই। ছোট ছোট নাতিরা প্রায় না খেয়ে আছে। জীবনে পাহাড়ে এত বড় বিপর্যয় দেখিনি। ’

নূরুল আলমের মতো আরো শত শত মানুষকে দেখা গেল যারা বস্তা বা ব্যাগে ভোগ্যপণ্য ভরে নিয়ে রাঙামাটির দিকে যাচ্ছে। দুর্গত স্বজনের জন্য যতটা সম্ভব খাদ্যপণ্য সঙ্গে নিয়েছে তারা। রাঙামাটিমুখী প্রদীপ চাকমাসহ বেশ কয়েকজনকে দেখা গেল, হাতে বিভিন্ন আকৃতির জার ও বোতল। সেগুলো ভর্তি জ্বালানি তেলে। তাঁরা জানালেন, রাঙামাটি এখন অন্ধকারে ডুবে আছে। ঘরে বাতি জ্বালানোর মতো তেলটুকুও নেই। পাম্প বা দোকানে কিনতেও পাওয়া যাচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে রাঙ্গুনিয়ার রানীরহাট ও ঘাগড়ার অদূরের একটি পেট্রল পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে রাঙামাটির পথে হাঁটা শুরু করেছেন তাঁরা।

কয়েকজনকে দেখা গেল, তারা কাঁধে ভার করে দুটি তেলের ছোট ড্রাম নিয়ে যাচ্ছে। বেশির ভাগ লোকের হাতেই পাঁচ লিটারের বোতল, তাতে বোঝাই জ্বালানি তেল। তারা জানায়, রাঙামাটিতে তেলের দাম বেড়েছে। দেড় শ টাকা লিটারেও তেল বিক্রি হয়েছে। এখন তাও পাওয়া যাচ্ছে না। বিক্রেতারা বলছেন, তাঁদের কাছে আর জ্বালানি তেল নেই। তেলের অভাবে গাড়ি চলছে না, বাতিও জ্বলছে না। জেনারেটর চালানো সম্ভব হলে মোবাইল ফোনে চার্জ করা সম্ভব হতো, তাও সীমিত হয়ে আছে।

আবদুল হামিদ নামের একজন জানান, ‘আমার মেয়ের জামাই রাঙামাটিতে অটোরিকশা চালায়। এ কারণে আমি জ্বালানি তেল নিয়ে যাচ্ছি। ’ শসাভর্তি ভ্যান নিয়ে রাঙামাটি যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন একজন বিক্রেতা। বললেন, ‘রাঙামাটিতে খাবার সংকট চলছে। শসা পৌঁছানো সম্ভব হলে দ্রুত বিক্রি হয়ে যেত। কিন্তু যেতেই তো পারছি না। ’

রাঙামাটি ছেড়ে আসা লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা হেঁটে সাপছড়ি পার হয়ে ঘাগড়া পৌঁছবেন। তারপর অটোরিকশায় চড়ে কিংবা রানীরহাট থেকে বাসে চট্টগ্রাম নগরীতে পৌঁছবেন। রাঙামাটি ছেড়ে কেন আসছেন? জানতে চাইলে সুমী চাকমা বলেন, ‘রাঙামাটিতে যদি আর দুই-তিন দিন খাবার না পৌঁছে তাহলে দুর্ভিক্ষ শুরু হতে পারে। সেখানে যাদের টাকা আছে, তারাও দুর্ভোগে আছে, যাদের নেই তারাও দুর্ভোগে। তাই কয়েক দিনের জন্য চট্টগ্রাম শহরে যাচ্ছি। সেখানে আমার বোনের বাসা আছে। ’

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাঙামাটিতে তারা আটকে পড়েছিল। শুরুতে খাবারের সংকট না হলেও দুই দিন যেতে না যেতেই খাবারের তীব্র সংকট দেখা দেয়। এরপর দোকানে গিয়ে তারা চড়া দামে খাবার কিনতে বাধ্য হয়। পরে সিদ্ধান্ত নেয়, আট কিলোমিটার পথ হেঁটে ঘাগড়া যাবে। সেখান থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে থাকার ব্যবস্থা করবে বা স্বজনের বাসায় যাবে। কেউ কেউ রাঙামাটি কাজে গিয়ে আটকে পড়েছিল। তারাও ফিরে আসছিল চট্টগ্রামের দিকে।

পথে পথে ভোগ্যপণ্যবাহী ট্রাক : সোমবার রাতে ও মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম থেকে ভোগ্যপণ্য নিয়ে রাঙামাটির পথে রওনা হয়েছিল যেসব ট্রাক সেগুলো গতকালও রাঙামাটি পৌঁছতে পারেনি। কয়েকটি ট্রাক ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম ফিরে গেছে। গতকাল ঘাগড়া বাজারে ছয়টি পণ্যবাহী ট্রাক আটকে থাকতে দেখা যায়। । আলম নামের এক চালক জানান, তাঁর ট্রাকে চাল, মুদি পণ্য, ঈদের সেমাই, পেঁয়াজ, চিনিসহ যাবতীয় পণ্য আছে। ’

আটকে থাকা গাড়ির চালকরা জানান, রাঙামাটি যাওয়ার একটিই পথ। বিকল্প কোনো উপায় নেই। এখন মাঝপথে পণ্য খালাসও করতে পারছেন না, আবার রাঙামাটিও পৌঁছতে পারছেন না। তাই তাঁরা চারদিন ধরে ঘাগড়া আটকে আছেন। গাড়ি আটকে থাকায় ট্রাক মালিকের ক্ষতি হচ্ছে, গাড়িতে পণ্যও নষ্ট হচ্ছে। এখন সড়ক ঠিক হলেও বড় ট্রাক যেতে পারবে কিনা সন্দেহ।

চারদিকে ধসের চিত্র : রাঙামাটি সড়কের দুই পাশে এখন শুধু পাহাড়ধসের খণ্ড খণ্ড চিত্র। পাহাড়ের বুকে থাকা ঘরবাড়ি ধসের সঙ্গে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। বড় বড় গাছগুলো মাটিতে পড়ে আছে। বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের খুঁটি ও বৈদ্যুতিক তারগুলো মাটিতে পড়ে আছে কিংবা ভাঙা গাছের ডালে আটকে আছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শিবু মারমা বলেন, ‘অতীতে পাহাড়ধসে পাহাড়িরা মারা যায়নি। এত ক্ষতিও হয়নি। এ বছর বেশি ক্ষতি হয়েছে। এখন যেভাবে মাটি কেটে সড়ক পরিষ্কার করা হচ্ছে, তাতে আরো কয়েক দিন লেগে যেতে পারে পুরো কাজ শেষ হতে। আর মাটি সরানো সম্ভব হলেও দেড় শ ফুট সড়ক তো আর মুহূর্তেই তৈরি করা যাবে না। তাই রাঙামাটিতে এই মুহূর্তে বেশি পরিমাণে খাবার পাঠানো অনেক কঠিন। ’

ভরসা কাপ্তাইয়ের পানিপথ : সেনাবাহিনীর সদস্য ও সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাঙামাটির সঙ্গে এখন চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। একমাত্র ভরসা কাপ্তাইয়ের নৌপথ। সেই পথেই ব্যক্তি উদ্যোগে কিছু কিছু ভোগ্যপণ্য পৌঁছাচ্ছে রাঙামাটিতে।

 

 


প্রতিদিনের খবরগুলো ফেসবুকে পেতে নিচের লাইক অপশনে ক্লিক করুন-

Logo

সম্পাদক: পল্লব মুনতাকা। জ্যাকম্যান, মেডওয়ে, ইউএসএ
ইমেইল: mail.newsevent24@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | newsevent24 2017